সারা বছর জুড়ে তার পূজা চলে। কেউ তাকে বলে কন্যাকুমারীর পুনজন্ম, কেউ বলে দেবী দুর্গার অবতার, আবার কেউ বলে অষ্টমাতার একজন। শাক্য বংশের স্বর্ণকার বা রৌপ্যকার পরিবার থেকে চার-পাঁচ বছর বয়সেই বেছে নেওয়া হয় কুমারী মাতাকে। তার শরীর হতে হবে নিখুঁত এবং নিদিষ্ট বত্রিশটি চিহ্ন থাকতে হবে সেই শরীরে। বাছাই পর্বের সেমিফাইনাল রাউন্ডের পরীক্ষাই সবচেয়ে কঠিন। মন্দির চত্বরে এক গা-ছমছমে পরিবেশে শয়তান আর ভূতের মুখোশ পরে ভয় দেখানো হয় সেই সব শিশু মেয়েদের ।
নেপাল এয়ারপোর্ট নেপাল ভ্রমণের এটা হল প্রথম রোমাঞ্চ। এ ছাড়া নেপাল মানেই হল এক ধরনের রহস্যময়তা। যেভাবে পাতলা কুয়াশার চাদর এখানকার মখমলে সবুজ পাহাড়ের শরীরকে কখনও আড়ালে, কখনও গোপনে, কখনও চোখের সামনে এনে ফেলে – ঠিক সেই রহস্যময়তাই যেন ছেয়ে আছে সারা নেপাল জুড়ে।
বাড়ি থেকে এয়ারপোর্ট যেতে যতটুকু সময় লাগে, তার চেয়ে কম সময়ে পৌঁছে যাওয়া যায় নেপালের রাজধানীতে।আকাশ পথে নেপালের রাজধানী কাঠমুন্ডু যেতে সময় লাগে মাত্র এক ঘণ্টা। কিন্তু এই এক ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে হলে আপনাকে ঢুকতে হবে ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে।
দিতে হবে এয়ারপোর্ট ট্যাক্স, ইমিগ্রেশন এর ঝাঁকি পোয়াতে হবে (আগে থেকে ভিসা না থাকলেও চলবে, তবে পাসপোর্ট থাকতে হবে), কাস্টমস ডিক্লেরেশন দিতে হবে, ইমিগ্রেশন ফর্ম পুরন করতে হবে কাঠমুন্ডু এয়ারপোর্টে দেওয়ার জন্য, পেরোতে হবে গ্রীন কিংবা রেড চ্যানেল। কারণ একটাই। নেপাল হল ‘ফরেন’।